img

বিশ্বের সেরা ১০ টি ঘড়ির নাম, দাম ও তথ্য

/

ঘড়ি শুধু মানুষের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করেনা, ঘড়ি মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও রুচিবোধ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে ৫০ জনই নিজের ব্যাক্তিত্ব ধরে রাখতে একটা দামী ঘড়ির ব্যবহার করে থাকে। আজ আমরা এমনি ১০ টি বিশ্বের সেরা ঘড়ি সম্পর্কে জানবো যেগুলো বিশ্বে সেরা ১০ এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে।

১) নামঃ গ্রাফ ডায়মন্ডস হ্যালুসিনেশন।
    মূল্যঃ ৫৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২) নামঃ গ্রাফ ডায়মন্ডস দ্য ফ্যাসিনেশন।
    মূল্যঃ ৪০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৩) নামঃ ব্রেগুয়েট নং ১৬০।
     মূল্যঃ ৩০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৪) নামঃ চোপার্ড ২০১-ক্যারেট ওয়াচ।
    মূল্যঃ ২৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৫) নামঃ পাটেক ফিলিপ সুপার কমপ্লিকেশন।
    মূল্যঃ ২৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৬) নামঃ জ্যাকব অ্যান্ড কোং বিলিয়নেয়ার ওয়াচ।
    মূল্যঃ ১৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৭) নামঃ পল নিউম্যানের রোলেক্স ডেটোনা।
    মূল্যঃ ১৭.৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৮) নামঃ পটেক ফিলিপ রেফারেন্স ১৫১৮।
    মূল্যঃ ১১.১ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৯) নামঃ ভ্যাকেরন কনস্টান্টিন ৫৭২৬০।
    মূল্যঃ ৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১০) নামঃ হাবলট বিগ ব্যাং।
    মূল্যঃ ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

বিস্তারিত তথ্যঃ

১। এক নাম্বার তালিকার গ্রাফ ডায়মন্ডস হ্যালুসিনেশন ঘড়িটি বিশ্বের সব চেয়ে দামি ঘড়ির প্রথম স্থানে রয়েছে। ব্যাসেলওয়ার্ড ঘড়ি এবং গয়না মেলায় উন্মোচিত  এই অপূর্ব ঘড়িটি ১১০ ক্যারেট হীরা দিয়ে তৈরি করা হয়। যার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৫৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার। সকল প্রকার হিরা একত্রিত করে এই দর্শনীয় ঘড়িটা তৈরি করা হয়।

২। ধনীদের বিলাসবহুল গয়নার জিনিসের মধ্যে পরিচিত একটা আইটেম হলো ফ্যাসিনেশন ওয়াচ। এতে রয়েছে ১৫২.৯৬ ক্যারেট হীরা। যার মধ্যে সেন্টার ডায়মন্ডের ৩৮.১৪ ক্যারেট রিংয়ের মতো আলাদা ভাবে পরা যায় আর এই বিশেষত্বের জন্য এই ঘড়ির মুল্য ৪০ মিলিয়ন ইউএস ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

৩। বিশ্বের সেরা ঘড়ি তালিকার ৩য় স্থানীয় ঘড়িটি একটা রোমাঞ্চকর প্রেম কাহিনির দ্বারা তৈরি করা হয়েছিলো। ব্রেগুয়েট নং ১৬০ ঘড়িটিকে ঘিরে নানান ইতিহাস রয়েছে। ঘড়িটা এখন পর্যন্ত জেরুজালেমের মেয়ার জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়।

৪। চোপার্ড ২০১ ক্যারেট ঘড়িটির কেন্দ্র তিনটি রঙের হৃদয় আকৃতির হীরা দিয়ে গঠিত। এই ঘড়িটিতে রয়েছে মোট ৮৭৪ টি হীরা যা সত্যি আশ্চর্যজনক ব্যাপার।

৫। পাটেক ফিলিপ সুপার কমপ্লিকেশন নামের এই পকেট ঘড়িটা ১৯৩৩ সালে তৈরি করা হয়েছিলো। এই ঘড়িটিতে মোট ২৪ টি জটিলতা রয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে এই ঘড়িটির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে ৫ বছর সময় লেগেছে।

৬। বিলিয়নেয়ার ঘড়িটা ২৬০ ক্যারেট পান্না-কাটা হীরা, ১৬৭ টি পৃথক উপাদান এবং ১৯ টি রত্ন দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও অনেক বিশেষ ও মূল্যবান উপাদানের সংমিশ্রণ এই ঘড়িটি।

৭।  পল নিউম্যানের রোলেক্স ডেটোনা ২০১৭ সালে ১৭.৮ মিলিয়ন ইউএস ডলারে বিক্রি হয়েছিলো। সেই সময় চলচ্চিত্র তারকা পল তার মেয়ের বয়ফ্রেন্ডকে উপহার দেওয়ার জন্য এই ঘড়ি ক্রয় করেন।

৮। ২০১৬ সালের শেষের দিকে পটেক ফিলিপ রেফারেন্স ১৫১৮ মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউএস ডলারে বিক্রি হয়ে যায়। এই ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছিলো ১৯৪১ সালে।

৯। ভ্যাকেরন কনস্টান্টিন ৫৭২৬০ ঘড়িটি ২৮২৬ টি ভিন্ন ধরনের উপাদান, ২৪২ টি রত্ন ও ৫৭ টি জটিলতাসহ তৈরি হয়। এই ঘড়িটির কাজ শেষ করতে ৪ বছর মতো সময় লেগেছে এবং একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্টের জন্য  ৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

১০। বিয়ন্সে ২০১২ সালে স্বামীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে জে-জেডের জন্য বিখ্যাত হাবলট বিগ ব্যাং ঘড়িটা কিনেছিলেন। এই ঘড়িতে ১,২৮২ টি হীরা, ৩ ক্যারেটের বেশি ওজনের ৬ টি পান্না-কাটা হীরা, ১০০ ক্যারেটেরও বেশি ব্যাগুয়েট হীরা রয়েছে যার মূল্য ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

এখন আপনাদের মনে হতেই পারে কেন এই ঘড়িগুলোর এতো দাম?

ঘড়িগুলো ৪ টা কারণে এতো মূল্যবান হয়েছে প্রযুক্তি, কারুকাজ, ব্যবহৃত সামগ্রী, ব্র্যান্ড। এই ব্যপার গুলোই ঘড়িগুলোকে একে অন্যের সাথে প্রতিযোগি বানায়। বিলাসবহুল ঘড়িগুলোতে নিখুঁত কারুকাজ, দক্ষতা ও শ্রম স্পষ্ট ভাবে ফুটে ওঠে।

আরও জানুনঃ AJR Courier Service Tracking Online সম্পর্কে।

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar